সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

পরাজয় টেরপেয়ে ভোটের আগেই পালাতে শুরু করেছে আ’লীগ ও পুলিশলীগ।



আওয়ামী সরকারের অধিকাংশ হুমকিদাতাও সন্ত্রাসী নেতারা পালাতে শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে পালিয়ে গেছেন নারায়নগঞ্জের গডফাদার শামীম ওসমান পরিকল্পনা মন্ত্রী লোটাস কামাল ফেনীর খুনী নিজাম হাজারী।
সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়েই তারা পালিয়ে গেছেন।

এদিকে র্যাবের ডিজি বেনজিরের পরিবার লন্ডনে পালিয়ে গেছে বলে একটি সুত্র জানিয়েছে। তিন দিন আগে দলদাস ও সমালোচিত পুলিশের এসপি হারুনের পরিবার আমেরিকায় পালিয়ে গেছে।
হারুনের পরিবার যুক্তরাষ্ট্রের জ্যাকসন হাইটসে এক আওয়ামী নেতার বাসায় আশ্রয় নিয়েছে বলে আমেরিকায় অবস্থিত প্রবাসীদের কয়েকটি সুত্র খবরটি নিশ্চিত করেছে।
হারুন গাজিপুর থেকে নারায়নগঞ্জে বদলী হয়েছে মাসখানেক আগে।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল লন্ডনে পালাতে এক প্রবাসীর কাছে টিকেটের জন্য সাহায্য চেয়ে হোয়াটসআপে চ্যাট করলে তা ফাঁস হয়ে যায়। সেখানে সে জানায় দেশের অবস্থা খুবই গরম। কিছু ঘটে যেতে পারে তাই নিরাপদে সরে পড়তে হবে। কিন্তু লন্ডনের কোন টিকেট পাওয়া যাচ্ছে না। প্রবাসী বন্ধু জানতে চায় টিকেট কেনো পাওয়া যাচ্ছে না?
নাজমুল জানায়, র্যাব পুলিশ ও আওয়ামীলীগ নেতারা সব টিকেট বুকির করে রেখেছে। পরে প্রবাসী বন্ধু নাজমুলকে পরামর্শ দেয়, সে জেনো ভারতে পালিয়ে যায়, পড়ে সেখান থেকে লন্ডনে চলে আসতে পারবে।

হাসিনা সরকার বাহিরে যতোই হুংকার দিচ্ছে ভেতরে তার দলের নেতারা ততোই ভেঙ্গে পড়ছে। পরাজয় নিশ্চিত জেনেও শেষ রক্ষার চেষ্টা করছে র্যাব পুলিশ দিয়ে।
২৯ ও ৩০ তারিখে সেনাবাহিনীর অভিযান বাড়লে আরো শত শত নেতা পালিয়ে যাবেন।
ডা. জাফরুল্লাহ জানিয়েছেন র্যাব পুলিশের ডিজি ও কমিশনাররা ইতিমধ্যে শেষ রক্ষা পেতে তাদের সাথে যোগাযোগ শুরু করেছেন। সেনাবাহিনী আর হাসিনার কথা শুনছেন না বলে তিনি জানান।

৩০ তারিখ ঐক্যফ্রন্টের ভোট বিপ্লবে বিজয় আসবে মুক্তিকামী বাংলাদেশী জনগনের, তাই সবাইকে দলে দলে ভোট কেন্দ্রে আসার অনুরোধ করেছেন ড. কামাল হোসেন।