শনিবার, ২৫ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ভোট দিতে কেন্দ্রে আসুন ৩০ ডিসেম্বর জনতার বিজয়ের দিন



তাজউদ্দীন:

আওয়ালীগ দাঙ্গা হাঙ্গামা চালাচ্ছে কারণ তাদেরকে উস্কে দিয়েছে দলের হাইকমান্ড। ওবায়দুল কাদের বারবার বলেছে -“ নির্বাচনে না জিতলে এক লক্ষ নেতাকর্মী খুন হবে।’ একই কথা বলেছেন তোফায়েল আহমদসহ অনেক নেতা।
কারণ তারা জানেন তারা ১০ বছর ধরেই ফাউল খেলছেন মানুষের সাথে। এবার বাঁচতে হলে তাদের পেনাল্টি খেতেই হবে। সুতরাং দেশের সকল মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আ’লীগের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে।

যদি হাসিনা এত কিছুই পারতো তবে গণগ্রেফতার করতো না। আমরা জানি তারা মাস্টার প্ল্যান করে মাঠে নেমেছে। তবে জনগন রুখে দাড়ালেই সব প্ল্যান ভেস্তে যাবে। আওয়ামীলীগ চাচ্ছে জনগণ যাতে ভোট দিতে কেন্দ্রে না যায়। তাই তারা জনগনকে এলাকা ছাড়ার হুমকি-ধমকি ও ভোট দিতে নিষেধ করছে। সবখানে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।

অনেকেই ভাবছেন, নিজেকে সেইফ রেখে,নিরপেক্ষ রেখে,গা বাঁচিয়ে চলবেন -একটা সময় শিবির গ্রেফতার হতো। খুন হতো। তখন বিএনপি ভেবেছি-আমাদের কি ? আমরা তো আর শিবির করি না।
এখন বিএনপি করলেই গ্রেফতার হয়, খুন হয়,গুম হয়।

সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে দেখছেন পিতাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছে, পিতা অন্যের কোলে থাকা নিজ সন্তানকে চুমু খাচ্ছে-ওই পিতা একজন ব্যবসায়ী। কোনো দল করেনা।আপনার মতো সাধারণ মানুষ। কিন্তু রেহাই পাচ্ছেনা।

যদি আওয়ামীলীগ আবারো ক্ষমতায় আসে- আপনি কোনো দল না করলেও বাঁচবেন না। নির্যাতনের স্বীকার হবেন শুধুমাত্র সত্য কথা বলার জন্য। আপনাকে তখন কেউ সাহায্য করতে আসবে না, কারণ সময় মত আপনি চুপ ছিলেন।

নির্বাচনের দিন কিছুই হবেনা। যেখানেই থাকুন, ভোরে ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন। বিলিভ মি, সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করার সুযোগ পাবেন না। অন্তত তাদের সামনে হামলার স্বীকার হবেন না ফর শিউর। সেনাবাহিনী কেন্দ্রগুলোতে শক্ত অবস্থানে থাকবে। কোন র্যাব পুলিশকে বাড়াবাড়ি করতে দেবে না। এই মুহুর্তে কৌশলগত কারনে সেনাবাহিনী চুপ আছে কিন্তু নির্বাচনের দিন তারা জনগনের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে। তাই সবাই ভয় ভীতি দুর করে ভোট দিতে কেন্দ্রে আসবেন।