শনিবার, ২৫ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

পুলিশের নীল নকশা ফাসঁ; হাসিনাকে জিতাতে গোপালী পুলিশের টার্গেট ১৫১ সিট



শেখ রাখি:

পুলিশের মধ্যে ষড়যন্ত্র চলছেই। একের পর এক ষড়যন্ত্র ফাসেঁর ঘটনা মিডিয়াতে প্রকাশ পেলেও থেমে নেই হাসিনার মদদপুষ্ট করাপ্টেড পুলিশ অফিসাররা। খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি অফিসে গোপন মিটিং হয় কদিন আগে।সেখানে ঢাকা থেকে ডিজি রাব বেনজির, এসবি চিফ মির শহিদুল, ডি আইজি মনিরুল ইসলাম এর লিডিং এ ডি আইজি খুলনা রেঞ্জ দিদারুল আলম, অতিরিক্ত ডি আইজি খুলনা হাবিবুর রহমান, পুলিশ কমিশনার কেএমপি, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিব, ১০ জেলার এস পি, বিজিবি খুলনা রিজিয়ন চিফ, ব্রিগেডিয়ার পদের ২ জন অফিসার উপস্থিত ছিলেন। একই দিনে রংপুর এ ডিজি রাব বেনজির ও ডি আইজি হাইওয়ে আতিকের নেতৃত্বে ডি আইজি রংপুর রেঞ্জ দেবদাস, রংপুর মেট্রো কমিশনার আব্দুল আলীম, ৮ জেলার এস পি দের নিয়ে গোপন করেন।

গোপন বৈঠকে কি করে আবারো হাসিনা সরকারকে ক্ষমতায় আনা যায় তার নীল নকশা তৈরী করা হয়। এসময় পুলিশের কর্তারা বিরোধীদলের উপর আরো কঠোর হওয়ার নানা ফন্দি ফিকিরের ছক আকেঁন।যেহেতু বিদেশীদের সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে কঠিন চাপ আছে তাই কেতোটা গোপনে ঐক্যফ্রন্টকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে মাঠ থেকে সরানো যায় সেই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করতে পুলিশকে নির্দেশ করা হয়।

গোপন বৈঠকে পৃথক ভাবে বিজিবি রংপুর বিভাগের চিফ, রংপুর ক্যান্টনমেন্টের জিওসি ও আনছার বিভাগীয় কমান্ডার সভায় অংশ নেন। অতিরিক্ত আইজি সফিকুল ইসলাম ও পুলিশ সদর দফতরের ডিআইজি হাবিব একই তারিখ রাতে সুবিদবাজার অফিসার্স মেসে ৪ জেলার এস পি ও সিলেটের ডিআইজি, অতিরিক্ত ডি আইজি, কমিশনার ও অতিরিক্ত কমিশনার এর সাথে গোপন মিটিং করে। মিটিংয়ে হাসিনা সরকারকে আবারও ক্ষমতায় আনতে গোপন ছক আকা হয়।

সেখানে সবাইকে ব্রিফিং করা হয়, পুলিশের কাজের ধরন ও পরিকল্পনা।মনিটরিং সেল থেকে তৈরি করে বিরোধী শিবিরের গতীবিধি মনিটর করা এবং সুযোগ মত তাদের গায়েবি মামলায় আটক করা হবে। ইতিমধ্যে ঢাকা সহ সব বিভাগে ডিবি পুলিশ স্থানীয় আ,লীগের সহায্যে বিএনপি জামায়াতের নেতা কর্মিদের অবস্থান জানতে মাঠে নমেছে। ২৪/২৫ তারিখের পর পুলিশ আরো কঠোর হবে বলে সবাইকে জানানো হয়। বিশ হাজার সরকারদলীয় ক্যাডারকে পুলিশি পোশাকে মাঠে নামানো হবে বলে সভায় জানানো হয়। গোপন সভায় বলা হয় শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় আনতে তাদের প্রয়োজন ১৫১ আসন। সারাদেশে না হোক টাগের্ট ১৫১ সিট বাছাই করে কাজ করবে পুলিশ। রাতের অন্ধকারে বিএনপি জামায়াতের জনপ্রিয় নেতাদের তুলে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও করা হয় এসময়।

 

অতিরিক্ত আইজি সফিকুল ইসলাম ও ডিআইজি হাবিব তারপর সেইরাতেই বিমানে সিলেট এসেছেন। রাতে সুবিদবাজার অফিসাস মেসে ৪ জেলার এস পি ও সিলেটের ডিআইজি, অতিরিক্ত ডি আইজি, কমিশনার ও অতিরিক্ত কমিশনার এর সাথে গোপন মিটিং করবে।

বেনজির আহমদ,ডিআইজি আতিক রাতেই রংপুর রওনা হোন।তাদের ছক মতো কি করে ভোট কাটা যায় তার নিল নকশা বাস্তবায়নে এবার আরো কঠোর হবার পরিকল্পনা পেশ করা হয়।

আওয়ামীলীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে যারা কাজ করবে তাদের বিষয়েও ব্যবস্হা নিবে সে যদি তাদের দলীয়ও হয় তাদের ছাড় দিবে না এমন সিদ্ধান্ত হয়। য েপুলিশ কথা শুনবেনা প্রয়োজনে তাদের পুলিশকে বলীর পাঠা বানাবে তারা।

আওয়ামীলীগের যে নেতা দলীয় কোন্দল করবে দরকার হলে তাকে গ্রেফতার করে সবাইকে দেখাবে যে কাউকে ছাড় দিচ্ছেনা না পুলিশ।যে কোন মুল্যে বিএনপিকে মাঠে দাড়াতেই দিবে না নির্বাচনের দিন।

তবে বিরোধীল যদি কঠোরভাবে সব বাধা উপেক্ষা করে মাঠ দখল করে নেয় তবে নিরাপত্তার প্রয়োজনে দ্রুত সটকে পড়ার রাস্তাও বলে দেয়া হয় বৈঠকে আসা পুলিশদের।

 

অাজ এ রিপোর্ট লিখাকালিন সময় সর্বশেষ খবরে জানা যায় অতিরিক্ত অাইজি শফিকুল ইসলাম এবং ডিঅাইজি হাবিবুর রহমান চট্টগ্রামে গিয়েছেন ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এক দিক নির্দেশনা দিতে । বেনজির অাহমেদের পরে শফিকুল ইসলাম কে অাইজি করবে এমন অাশ্বাস পাওয়ায় শফিকুল ইসলাম অতি উৎসাহী হয়ে হাবিবকে সহযোগিতা করতে পুরো মাত্রায় মাঠে নেমে গেছেন। সিদ্ধান্ত হয়েছে কোন ভাবে নির্বাচন পার করেই বড় বড় কিছু নেতাকে গুম করে ফেলবে তবেই অাতংকে সব অান্দোলন ঠান্ডা হয়ে যাবে। সমালোচনা আর বদনাম তো অাছেই অারো হবে হোক তাতে কিছু যায় অাসে না। পুলিশের যারা কাজ করবে তারা যা চায় তাই দেয়া হবে শুধু একবার ক্ষমতায় অানতে সাহায্য করতে হবে পরে বিএনপি পন্হী সব অফিসারকে চাকরী থেকে অব্যাহতি দিয়ে পদ শুন্য করে নিচ থেকে সবাইকে প্রোমশন দিবে। সব গুম খুনের দায় মুক্তি দিবে।